Why Did Nijhum Majumdar Drink Harpic? নিঝুম মজুমদার কেন হারপিক খেয়েছিলেন?

Why Did Nijhum Majumdar Drink Harpic? | English Edition |


Why Did Nijhum Majumdar Drink Harpic

1

Nijhum Majumdar is an atheist blogger, known as "Harpic Majumdar," who is strongly opposed to the concept of an Islamic state. Recently, during a talk show, he was identified by holding up a bottle of Harpic, which went viral on social media. This incident sparked discussions around Majumdar and his viewpoints. On the show, Syed Abdullah Tanvir remarked that Majumdar should not be present, questioning his actions. Previously, Majumdar has opposed various movements and filed complaints in the International Criminal Court against Dr. Muhammad Yunus and 62 others for alleged crimes against humanity.

2

Majumdar claims that there is a conspiracy to overthrow Sheikh Hasina, and he has approached the International Criminal Court (ICC). According to him, certain students and terrorists are working against the Bangladeshi government in an attempt to seize power. Syed Abdullah pointed out that no one can file a case in The Hague, and the conversation was merely a dialogue. This angered Majumdar, who sought the host’s attention to express his views, but Syed Abdullah attempted to stop him once again. In a tense moment, Syed Abdullah held up the Harpic bottle in apparent disdain for Majumdar and suggested he should not be on the show. This led to a heated exchange, with Majumdar retaliating against Syed Abdullah with offensive language.

 3

When Majumdar saw the Harpic bottle, memories from a past incident began to replay in his mind. In 2018, he had an affair with Maksuda Akhtar Prioty, whom he met while she was active in the Bangladesh #MeToo movement. Prioty had won the Miss Ireland title in 2014, and they developed a friendship. Despite opposition from his family, including his pregnant wife, Majumdar followed Prioty wherever she went. In 2020, Prioty shared a video on her verified Facebook page discussing their troubled relationship, where Majumdar tried to justify his painful involvement. The video highlighted their conversations and Majumdar's complicated connection with his mother, exposing the turmoil in their relationship.

4

Distanced from Prioty, Majumdar sank into deep despair. Prioty showed disinterest, and Majumdar’s family eventually took police action. Prioty rejected him harshly, and at times, her presence around others agitated Majumdar deeply. Realizing their deteriorating relationship was mentally weakening him, he finally resorted to drinking Harpic, symbolizing his helplessness. His reflections on love were intense, as he expressed, “I want to die for you,” indicating his profound attachment. He believed that dying for love would bring him peace and that he could live on in Prioty’s memory after death.

5

Behind Majumdar’s tragic fate lies a deep story of failed love. Recalling his parents’ deaths, he admitted that it was difficult for him to forget his love. Yet, he was not present for his wife during her pregnancy, and he did not visit his daughter, who was born in November 2019. This information surfaced from Prioty’s Facebook profile, revealing his entanglement in an affair. 

Majumdar’s mental state worsened, and the Harpic incident earned him notoriety in Bangladesh, where he became widely known as “Harpic Majumdar.” When he encounters references to Harpic, he reacts strongly, and many label him anti-Islam. His involvement in love affairs and his indifference toward his family have placed him in a controversial position. Isolated from society, he is weighed down by people’s mixed feelings and expectations. These dark aspects of his life have plunged him into a deep depression, realizing that love’s consequences are not always joyful. Public video footage of his life raises questions that disturb his peace of mind further."

 ------------------------------------------------------------

নিঝুম মজুমদার কেন হারপিক খেয়েছিলেন? | Bangla Edition |




নিঝুম মজুমদার ইসলাম বিরোধী একজন নাস্তিক ব্লগার, যিনি হারপিক মজুমদার নামে পরিচিত। তিনি ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন এবং ব্যক্তিগতভাবে ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্রের ধারণা মেনে নিতে অস্বীকার করেন। সম্প্রতি একটি টকশোতে অংশগ্রহণের সময় হারপিকের বোতল তুলে ধরার মাধ্যমে তাকে চিহ্নিত করা হয়, যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। এই ঘটনার পর থেকে মজুমদার এবং তার মতভিন্নতা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। টকশোতে সাইয়েদ আব্দুল্লাহ তানভীর মন্তব্য করেন যে নিঝুম মজুমদারকে এখন এখানে রাখা উচিত নয়, এবং তার কার্যক্রমের বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন। নিঝুম মজুমদার আগে বিভিন্ন আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান নেন এবং আন্তর্জাতিক আদালতে মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য ডক্টর মোহাম্মদ ইউনুসসহ 62 জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।



নিঝুম মজুমদার দাবি করছেন যে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার পেছনে ষড়যন্ত্র চলছে এবং তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) শরণাপন্ন হয়েছেন। তার মতে, কিছু ছাত্র ও সন্ত্রাসী জনতাকে উত্তেজিত করে বাংলাদেশের সরকারের বিরুদ্ধে কাজ করছে, যা রাষ্ট্রের ক্ষমতা দখলের চেষ্টা। অনুষ্ঠানে সাইয়েদ আব্দুল্লাহ মন্তব্য করেন যে, কেউ হেগের আদালতে মামলা করতে পারে না, এবং তাদের কথোপকথন শুধুমাত্র একটি যোগাযোগ। তিনি উল্লেখ করেন যে নিঝুম মজুমদারের মামলা করার ক্ষমতার কোনও ভিত্তি নেই। এই যুক্তিতে ক্ষিপ্ত হয়ে মজুমদার হোস্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং তার বক্তব্য রাখতে চান, তখন সাইয়েদ আব্দুল্লাহ তাকে আরেকবার থামানোর চেষ্টা করেন। এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে, সাইয়েদ আব্দুল্লাহ হারপিক বোতল তুলে ধরে মজুমদারের প্রতি আরও বিতৃষ্ণা প্রকাশ করেন, এবং অনুরোধ করেন যে তাকে অনুষ্ঠানে রাখা উচিত নয়। এনাতে উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়, যেখানে মজুমদার সরাসরি আক্রমণাত্মক ভাষায় সাইয়েদ আব্দুল্লাহর প্রতি পাল্টা আক্রমণ করেন।



মজুমদার যখন হারপিক বোতল দেখেন, তখন তার মনের মধ্যে অতীতের একটি ঘটনা ঘুরতে থাকে। পাঁচ বছর আগে, 2018 সালে, তিনি মাকসুদা আক্তার প্রিয়তির সঙ্গে একটি পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন, প্রথম পরিচয় হয় যখন প্রিয়তি বাংলাদেশ হ্যাশ মি টু আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখছিল। প্রিয়তি 2014 সালে মিস আয়ারল্যান্ড খেতাব জিতেছিলেন এবং সেই সময় থেকেই তাদের বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। সম্পর্ক গড়ে ওঠার পর, যদিও মজুমদারের পরিবার, বিশেষ করে তার গর্ভবতী স্ত্রী, প্রসঙ্গে বাধা সৃষ্টি করে, তবুও তিনি প্রিয়তির পিছনে হেঁটেছেন, যেখানে যেতেন সেখানেই। প্রিয়তির ওপর বিভিন্ন মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয় এবং এর ফলে তিনি বিব্রত হন। এসব বিষয় নিয়ে 2020 সালে প্রিয়তি তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন, যেখানে নিঝুম মজুমদার বুঝাতে চান যে তার জড়িত সম্পর্কটি কতটা যন্ত্রণাদায়ক। ভিডিওটি শুরুতেই দেখা যায় যে মজুমদার প্রিয়তির প্রতি তার অনুভূতি জানাচ্ছেন এবং কিভাবে তিনি মাকে দিয়ে প্রিয়তিকে পরিচালিত করার চেষ্টা করেন। ভিডিওতে মজুমদার ও তার মায়ের ফোনালাপের কথাও উঠে আসে, যা আরও সমন্বয়হীনতার পরিচয় দেয় তাদের সম্পর্কের মধ্যে। মজুমদার ও প্রিয়তির মধ্যে যে যন্ত্রণা ও জটিলতার জন্ম হয়, তা তাদের সম্পর্ককে প্রতিনিয়ত নতুন সংকটের মুখোমুখি করে।



মজুমদার যে প্রিয়তির সঙ্গ থেকে দূরে রয়েছেন, তার জন্য তিনি গভীর হতাশায় ডুবে যান। প্রিয়তি তার প্রতি অনীহা প্রকাশ করে, এমনকি মজুমদারের পরিবার অসন্তুষ্ট হয়ে তাকে নিয়ে পুলিশি ব্যবস্থা গ্রহণ করে। এই পরিস্থিতিতে প্রিয়তি তাকে বারবার বিকৃত ভাষায় ফিরিয়ে দেয় এবং এক সময় মানুষ হিসাবে মজুমদার ছাড়া অন্য কারও উপস্থিতিতে তিনি যথেষ্ট বিরক্ত হয়ে পড়েন। মজুমদার বুঝতে পারেন যে, তাদের সম্পর্কের এই অবনতি তাকে মানসিকভাবে দুর্বল করছে এবং তিনি অবশেষে হারপিক পান করার সিদ্ধান্ত নেন, যা তার অসহায়ত্বের প্রতীক হিসেবে ধরা হয়।

তার আত্মকথন গুলিতে তার প্রেমের প্রয়াস মধ্যেই প্রতিধ্বনিত হয়, যেখানে তিনি বলেন যে, “আমি তোমার জন্য মরতে চাই,” এটি প্রেমের জন্য তাঁর অমিত ভালোবাসার নিদর্শন। তিনি মনে করেন যে, প্রেমের জন্য মৃত্যুবরণ করাই সম্ভবত তাকে শান্তি দেবে এবং মৃত্যুর পর প্রিয়তির স্মৃতিতে বাঁচতে পারবেন। মজুমদারের এই গভীর আবেগ প্রকাশ পায় যখন তিনি বলেন, “আমার কি দোষ যে আমি প্রেমের জন্য মরতে চাই?” এই বাক্যগুলোর মধ্য দিয়ে মজুমদার তার এরূপ আবেগের অত্যাচার স্পষ্ট করে তুলেন।

এমন আবেগঘন পরিস্থিতিতেও তিনি স্লিপিং পিল খাওয়ার বিষয়ে জানান, যা তার মানসিক চাপকে প্রশমিত করার চেষ্টা হিসেবে দেখা যায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় তার একটি ফোন কল ভাইরাল হয়, যেখানে তিনি প্রিয়তির প্রতি তার আকুতি প্রকাশ করেন এবং অন্তর থেকে উঠে আসা কষ্ট ও বিষণ্ণতা প্রকাশ পায়। এই সমস্ত ঘটনার মধ্যে প্রিয়তি তাকে মনে রেখেছে কিনা, সেটি নিয়ে তাঁর চিন্তা ও আশঙ্কা তাকে আরও বিপর্যস্ত করে। Mজুমদার তার জীবনের এই কঠিন সময়ে প্রেমের অম্লান অনুভূতিগুলোর কার্যকারিতা ও ফলাফল নিয়ে চিন্তিত হন, যা তাকে আরও ভেঙে দেয়।



মজুমদারের করুণ পরিণতির পেছনে প্রেমের ব্যর্থতার একটি গভীর কাহিনী লুকিয়ে রয়েছে। তিনি তার অভিভাবকদের মৃত্যুকে স্মরণ করে বলেন যে, সে যেভাবে তাদের ভুলে যায়নি, সেভাবে প্রেমের কথা মনে রাখতে বলা তার জন্য কঠিন। তবে তার স্ত্রীর গর্ভাবস্থার সময় তিনি তার পাশে ছিলেন না এবং ২০১৯ সালের নভেম্বরে তার কন্যার জন্ম হলেও তাকে দেখতে যাননি। এই তথ্য প্রকাশ পায় মাকসুদা আক্তার প্রিয়তির ফেসবুক প্রোফাইল থেকে, যেখানে ভেসে ওঠে মজুমদারের পরকীয়ায় বন্দী থাকার চিত্র।

মজুমদারের মানসিক অবস্থার অবনতি ঘটছিল এবং হারপিক খাওয়ার ঘটনা তাকে বাংলাদেশের সমাজে এক বিশেষ পরিচয়ে অধিকারী করেছে, যেখানে অনেকেই তাকে 'হারপিক মজুমদার' হিসেবে চেনেন। বর্তমানে, তিনি যখন হারপিকের কথা শুনে বা দেখেন, তখন তার মধ্যে কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় এবং অনেকেই তাকে ইসলাম বিরোধী হিসেবে অভিহিত করেন। তার প্রেমের ঘটনা এবং পরিবারের প্রতি অনীহা তাকে এমন একটি অবস্থানে নিয়ে এসেছে, যেখানে তার কর্মকাণ্ডগুলো আক্রমণাত্মক এবং বিতর্কিত হয়ে প্রকাশ পায়।

এই পরিস্থিতিতে তিনি সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছেন এবং তাঁর প্রতি মানুষের প্রত্যাশা ও অনুভূতি মিশ্রিত হতে শুরু করেছে। নিঝুম মজুমদারের জীবনের এই অন্ধকার দিকগুলি তাকে আরও গভীর হতাশায় নিমজ্জিত করেছে এবং তিনি বুঝতে পারছেন যে প্রেমের পরিণতি সবসময় সুখকর নয়। জনসমক্ষে তার জীবনের চিত্রের এমন ভিডিওগুলো এবং কথাবার্তা সবার মাঝে একটি প্রশ্নচিহ্ন তৈরি করেছে, যা তার চেতনায় আরও অস্থিরতা তৈরি করেছে।

Comments