How Did the Rothschilds Become the World's Most Powerful Family? | A Complete Story | Rothschild Family. কিভাবে রথসচাইল্ডরা বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী পরিবার হয়ে উঠেছিলো ?| আদ্যোপান্ত | Rothschild Family
How Did the Rothschilds Become the World's Most Powerful Family? | A Complete Story | Rothschild Family
The Rothschild family's journey began in the 1530s in the Judengasse ghetto of Frankfurt, which would later become the nucleus of European power. In 1664, they moved to a new home and adopted the name "Rothschild." Mayer Amschel Rothschild was born in this family. At the time, Frankfurt was part of a small administrative region, and modern Germany had not yet been formed. After his father’s death, Mayer Amschel was sent to Hanover to study banking, gaining knowledge of international trade and antique currencies. In 1763, he returned to Frankfurt and started a currency trading business, establishing a good relationship with the Prince of Hesse.
In 1769, Mayer Amschel Rothschild expanded his business and later became a court agent, advising rulers on financial matters. These court agents formed a network that laid the foundation for a Jewish economic empire worldwide. After Mayer Amschel’s father passed away in 1785, William IX of Hesse became ruler. During the French Revolution of 1789, his business grew by supplying soldiers to Britain in their fight against France. In 1806, when Napoleon invaded Hesse, William IX fled, entrusting his wealth to the Rothschild family for safekeeping.
Around this time, Mayer Amschel’s son, Nathan Rothschild, opened a bank in London with capital equivalent to 550,000 euros. Nathan moved to Manchester in 1798 to start a textile business and began exporting to Frankfurt. Mayer Amschel strategically sent his sons to establish banking businesses in major European cities, creating a robust network. Nathan emerged as the most successful among his five sons.
The Expansion of the Rothschild Empire
By 1812, the Rothschild family had established branches in Naples (by Carl Mayer), Vienna (by Solomon Mayer), and remained active in Frankfurt under Amschel Mayer. Mayer Amschel Rothschild passed away in 1812, leaving two crucial instructions for his descendants:
- No outsiders should be involved in the family business.
- Only male heirs could inherit the family’s wealth and titles, leaving daughters excluded.
To maintain control, inter-family marriages became common. Between 1824 and 1877, 30 of the 36 Rothschild sons married within the family. The family’s network extended to London and Paris, where Nathan and James Rothschild became major economic players in Britain and France, respectively. During Napoleon’s reign, James financed the French, while Nathan managed funds for Britain.
In 1810, the Rothschild & Co. bank was founded. Amid the Napoleonic Wars, the British government depended on the Rothschilds to fund military operations. Nathan and James facilitated the transfer of significant funds, including 1.4 million pounds in 1813 to the Duke of Wellington in Spain. The family also brokered British war bonds, solidifying their economic influence.
Later Years and Decline of Some Branches
The Rothschild & Sons company remains active today, but certain branches were closed due to male heir shortages, such as the Frankfurt branch in 1901. Austria’s Vienna branch was shut down in 1938 following Hitler’s invasion. The French branch, despite facing nationalization, survived and merged with the German branch in 2003.
As of 2022, N.M. Rothschild & Sons reported a revenue of €297 billion, with a net profit of €606 million. They manage €1.016 trillion in assets across 44 countries. Although none of the family members appear on lists of the world’s wealthiest individuals today, their businesses remain vast. Their wealth has been divided among hundreds of descendants, reducing individual shares.
Contributions to Israel and Global Influence
The Rothschild family played a crucial role in establishing the state of Israel. Baron Edmond James de Rothschild, head of the French banking house, was instrumental in funding early Jewish settlements in Palestine, donating over $50 million for initiatives like land purchases and power plant research. The Balfour Declaration of 1917, supporting the creation of a Jewish state, was addressed to Lionel Walter Rothschild.
Today, the family continues to wield influence, particularly in Europe, Israel, and the U.S. David René de Rothschild is a prominent modern figure, overseeing the 2003 unification of the French and British branches. Alongside their economic legacy, the Rothschilds have been surrounded by conspiracy theories and controversies, reflecting the shadow of their immense influence.
--------------------------------------------------------------------------------------------
কিভাবে রথসচাইল্ডরা বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী পরিবার হয়ে উঠেছিলো ?| আদ্যোপান্ত | Rothschild Family
1530 সালের দশকে ফ্রাঙ্কফুর্টের জুডেন গাজের ঘেটোতে রথসচাইল্ড পরিবারের আত্মপ্রকাশ হয়, যে পরিবারটি ভবিষ্যতে ইউরোপের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে। 1664 সালে তারা জুডেনগাজ থেকে নতুন বাড়িতে চলে যায় এবং রজ চাইল্ড উপাধি গ্রহণ করে, যেখানে এমসেলমায় রস চাইল্ড জন্ম নেন। ফ্রাঙ্কফুর্ট তখন একটি ছোট প্রশাসনিক অঞ্চলের অংশ ছিল এবং জার্মানির বর্তমান রূপ তখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি। এমসেলমায়ের পিতার মৃত্যুর দুই বছর পরে, তিনি ব্যাংকিং ক্ষেত্রে শিক্ষালাভের জন্য হ্যানোফারে পাঠানো হন, যেখানে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও পুরানো মুদ্রা সম্পর্কে জ্ঞান αποκाओं। 1763 সালে ফ্রাঙ্কফুর্টে ফিরে এসে, তিনি মুদ্রা ব্যবসা শুরু করেন এবং এই ব্যবসার মাধ্যমে হেসের প্রিন্সের সাথে সুসম্পর্ক স্থাপন করেন। 1769 সালে মায়ার এমসেল আরও ব্যবসাসফলভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করতে শুরু করেন, যা তাঁর পরিবারের পরবর্তী জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
সেখানকার কোর্ট এজেন্ট নিযুক্ত হন, যেখানে তাঁদের কাজ ছিল মূলত ক্ষমতাসীনদের অর্থনৈতিক বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া। এই কোর্ট এজেন্টদের নেটওয়ার্ক পরে বিশ্বের জুড়ে ইহুদিদের অর্থনৈতিক সাম্রাজ্য গড়ার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 1785 সালে মায়ার এমসেলের পিতার মৃত্যুর পর নবম উইলহেম হেসের শাসক হিসেবে অনুযায়ী রাজত্ব শুরু করেন। 1789 সালে ফরাসি বিপ্লবের পর ব্রিটেনের পক্ষে এবং ফ্রান্সের বিপক্ষে যোদ্ধাদের ভাড়াটে সৈনিক হিসেবে নিয়োগের প্রয়োজন দেখা দিলে তাঁর ব্যবসা বৃদ্ধি পায়। 1806 সালে নেপোলিয়ন হেসে আক্রমণ করার পর নবম উইলহেম পালিয়ে যান তাঁর বিপুল সম্পত্তির নিরাপত্তার চিন্তায়। তখন তাঁর অর্থনৈতিক পরামর্শদাতা কার্ল ফ্রেডরিক বুজেরাজ পরামর্শ দেন, রজ চাইল্ড পরিবারের কাছে তাঁর সম্পদ গচ্ছিত রাখতে। সেই সময় মায়ার এমসেলের ছেলে নাথান লন্ডনে একটি ব্যাংক খোলেন, যার মূলধন ছিল সাড়ে পাঁচ লক্ষ ইউরোর সমান। 1798 সালে নাথান ম্যানচেস্টারে যান, যেখানে তিনি কাপড়ের ব্যবসা শুরু করেন, যা ফ্রাঙ্কফুটে রপ্তানি করেন। এই সফলতায় মায়ার এমসেল তাঁর ছেলেদের ইউরোপের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরে ব্যাংকিং ব্যবসা শুরু করতে পাঠান। পাঁচ ছেলের মধ্যে নাথানই সবচেয়ে বেশি উন্নতি করেন, যেখানে দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন ছোট ছেলে।
জেমস মায়ার 1812 সালে কার্ল মায়ার ইতালির নেপলসে এবং 1820 সালে সোলোমন মায়ার অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় ব্যাংকিং ব্যবসা শুরু করেন, enquanto এমসেশেল মায়ার ফ্রাঙ্কফোর্টে রয়ে যান। 1812 সালে রথচাইল্ড পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা মায়ার এমসেশেল রথচাইল্ড মারা গেলে, মৃত্যুর পূর্বে সন্তানদের দুটি বিষয় গুরুত্বসহকারে বলেছিলেন: প্রথমত, পরিবারের বাইরের কাউকে পারিবারিক ব্যবসায় অংশীদার করা যাবে না এবং দ্বিতীয়ত, পরিবারের সমুদয় সম্পত্তি ও উপাধির উত্তর শুধু ছেলেরা পাবে, মেয়েরা সম্পত্তির অংশ পাবে না। ফলে, তাদের মধ্যে আত্মীয়-স্বজনের ভেতর বিয়ে করার প্রবণতা গড়ে ওঠে। 1824 থেকে 1877 পর্যন্ত রথচাইল্ড পরিবারের 36 জন ছেলে বিয়ে করে, যার মধ্যে 30 জনই পরিবারের ভেতরে বিয়ে করেছে।
এদিকে, ইউরোপের গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক কেন্দ্রে তাঁদের পাঁচ ছেলেকে প্রতিষ্ঠিত করে রথচাইল্ড পরিবারের ব্যাংকিং ও বাণিজ্য নেটওয়ার্ক তৈরি হয়। লন্ডনে নাথান এবং প্যারিসের জেমসের নেতৃত্বে ফরাসি ও ব্রিটিশ অর্থনীতি নিয়ে দুইটি শক্তিশালী শাখা তৈরি হয়। নেপোলিয়নের সময়, জেমস রথচাইল্ড ফরাসিদের প্রধান অর্থ যোগানদাতা ছিলেন, অপরদিকে লন্ডনের অর্থের ব্যবস্থা নাথান রথচাইল্ড করছিলেন। 1810 সালে "রথচাইল্ড এন্ড কং" প্রতিষ্ঠা করার মাধ্যমে ব্রিটেন নেপোলিয়নের বিরুদ্ধে ডিউক অফ ওয়েলিংটনের অনুপস্থিতিতে সেনাবাহিনী পরিচালনার জন্য অর্থের খুব প্রয়োজন দেখা দেয়, কিন্তু ব্রিটেন সরকার চেষ্টা করেও সেখানে অর্থ পাঠাতে কোনো কার্যকরী যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে না।
পারছিল না, ওদিকে ডিউকে স্থানীয়দের থেকে উচ্চমূল্যে সবকিছু ক্রয় করতে হচ্ছিল। অবশেষে সরকার রথচাইল্ডের মুখাপেক্ষী হয়। নাথান আর জেমস মিলে অত্যন্ত জটিল প্রক্রিয়ায় স্পেইনে অর্থ পাঠাতে শুরু করেন। 1813 সালে লন্ডন থেকে ডিউকের কাছে 14 লাখ পাউন্ড পাঠানো হয়, যার প্রায় পুরোটাই ব্যবস্থা করেছিল রথচাইল্ড পরিবার। ব্রিটিশ সরকার যুদ্ধ ব্যয় পরিচালনার জন্য বিপুল পরিমাণ বন্ড ছাড়ে, এরও বেশিরভাগ অংশের মধ্যস্থতা করেছিল রথচাইল্ডরা। তাঁদের প্রতিষ্ঠিত কোম্পানি রথচাইল্ড এন্ড সন্স এখনো সচল, তবে 1863 সালে ইতালির শাখাটি বন্ধ হয়ে যায় এবং 1901 সালে ফ্রাঙ্কফুর্ট শাখা বন্ধ হয়ে যায়, প্রধান কারণ ছিল পুরুষ উত্তরাধিকারের সংকট।
অস্ট্রিয়ায় হিটলারের আক্রমণের পর 1938 সালে ভিয়েনার শাখাও বন্ধ হয়ে যায়, তবে ফরাসি শাখা বেশ কয়েকবার জাতীয়করণের মধ্য দিয়ে গিয়ে এখনো টিকে আছে। 2003 সালে রথচাইল্ডদের ফরাসি এবং জার্মান শাখা পুনরায় একত্র হয়। 2022 সালের রিপোর্ট অনুযায়ী, এনএম রথচাইল্ড এন্ড সন্স এর রেভিনিউ ছিল 297 বিলিয়ন ইউরো এবং তাঁদের নিট প্রফিট ছিল 606 মিলিয়ন ইউরো। এর তত্ত্বাবধানে থাকা স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ 1016 বিলিয়ন ইউরো, এবং 44 টি দেশে তাঁদের বাণিজ্য রয়েছে।
বর্তমানে রথচাইল্ড পরিবারের কেউ বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ধনীদের তালিকায় নেই, যদিও তাঁদের পারিবারিক ব্যবসা অনেক বড়, সম্পত্তি শত শত উত্তরাধিকারীর মাঝে বণ্টিত হয়ে যাওয়ার জন্য সবার অংশই কমে গেছে। রথচাইল্ড পরিবারে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি সম্পদের মালিক ডেভিড মায়ার দ্যা রথচাইল্ড, একজন ব্রিটিশ পরিবেশবাদী, যার সম্পত্তির পরিমাণ 10 বিলিয়ন ডলার। বর্তমানে রথচাইল্ড গ্রুপের অধীনে 26 টি আন্তর্জাতিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যার মধ্যে 13টির হেডকোয়ার্টার যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, জার্মানি, জাপান এবং কানাডায়। ফিনল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, চেক রিপাবলিক এবং ইতালিতে দুটি করে এবং একটি করে প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এছাড়াও পরিবারের সদস্যদের ব্যক্তিগত বহু প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে রথচাইল্ড পরিবারের প্রভাব, বিশেষ করে ফ্রান্স, ব্রিটেন, পর্তুগাল, স্পেন, এবং ব্রাজিলের সরকারকে ঋণ দেয়ার মাধ্যমে। ইসরাইল প্রতিষ্ঠায় ফরাসি ব্যাংকিং হাউজের প্রধান ব্যারন এডমন্ড জেমস রথচাইল্ডের অবদান ছিল অমূল্য, এবং আজও ইসরাইলিরা তাকে 'দ্যা বেনিফেক্টর' বা উপকারী বন্ধু নামে স্মরণ করে। 1924 সালে ফিলিস্তিনিদের জমি কেনার জন্য প্যালেস্টাইন জিউস কলোনাইজেশন অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠা করেন তিনি, যা ইসরাইলের প্রথম শহরগুলোর মধ্যে একটি রিশন লেজিয়ন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হয়।
এই শহর প্রতিষ্ঠায় তার অর্থায়ন ছিল 50 মিলিয়ন ডলারের বেশি, বিশেষ করে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের গবেষণার জন্য। 1917 সালের 2 নভেম্বর জেমস আর্থার বেলফোর্ডের যেই ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, তা তৎকালীন রথচাইল্ড পরিবারের প্রধান লিওন ওয়াল্টার রথচাইল্ডের নামে লেখা একটি পত্র ছিল। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে প্রভাবশালী ইহুদি পরিবারের সহায়তার জন্য ব্রিটিশ সরকার আশ্বস্ত করেছিল যে ফিলিস্তিনে একটি ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা হবে।
এখনো পর্যন্ত রথচাইল্ড পরিবার ইসরাইল ও ইহুদিদের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত। আমেরিকায় জন্ম নেওয়া রথ পরিবারের বর্তমান প্রভাবশালী সদস্য ডেভিড রেনে জেমস দ্যা রথচাইল্ড, যার তত্ত্বাবধানে 2003 সালে ফরাসি ও ব্রিটিশ পরিবারের ব্যবসায় একীভূত হয়েছে। তিনি 1982 থেকে 2006 সাল পর্যন্ত ইউনাইটেড জিউশ ফান্ড পরিচালনা করেছেন, তার বাবা 1950 সালে সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, যার অধীনে প্রায় 200 ইহুদিবাদী সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। রথচাইল্ড পরিবারের অর্থনৈতিক খ্যাতির পাশাপাশি, বিশ্বজুড়ে তাদের নানা অপকর্ম এবং বিস্তৃত ষড়যন্ত্র তত্ত্বের অস্তিত্বও রয়েছে, যা তাদের প্রভাবের ছায়া ফেলেছে।


Comments
Post a Comment