Adani: Activist Barnali Mukherjee Demands Modi’s Arrest Alongside Adani #adani #bjp. আদানীর সাথে মোদীকেও গ্রেফতারের দাবি তুললেন সমাজকর্মী বর্ণালী মূখার্জী

Adani: Activist Barnali Mukherjee Demands Modi’s Arrest Alongside Adani #adani #bjp. 




Adani: Activist Barnali Mukherjee Demands Modi’s Arrest Alongside Adani #adani #bjp.
Social activist Barnali Mukherjee stated that Adani has been proven guilty of corruption, potentially facing a 30-year prison sentence. She accused Modi of being complicit with Adani, claiming that both have manipulated the lives of ordinary people. Calling for justice, she emphasized that both should be arrested and held accountable for their actions. Barnali also highlighted how ordinary citizens have suffered economically and questioned why the judiciary has not acted firmly against corruption. She referenced a U.S. warning against Adani, which has led to fresh allegations, raising concerns about Modi’s international relations and Adani’s business dealings. Barnali’s comments hinted at a deep connection between the two, potentially causing significant political repercussions in India.

When the Trump administration raised allegations against Adani, BJP spokesperson Sambit Patra dismissed them as rumors during a press conference, though his explanation failed to convince the public. Barnali questioned Modi directly, asking whom he would protect in a dispute between Adani and Trump. Referring to the severe allegations against Adani and his potential 30-year sentence, she criticized the lack of action.

Citing international backlash, Barnali noted that governments in the U.S., Australia, and Kenya have canceled projects with Adani. The Bangladeshi government has also accused him of selling electricity at inflated prices. Amid this, she questioned Modi’s inaction and demanded to know when corruption would be addressed. She argued that the falling value of LIC shares due to Adani’s actions is affecting ordinary people, especially those struggling with daily expenses.

Barnali pointed out how ordinary investors are forced to invest in shares, yet they remain unaware of the bribes and corruption behind Adani’s operations. She mentioned allegations of bribes worth ₹20,000 crores involving Adani and questioned why authorities have not disclosed accurate information. Reports from Anandabazar Patrika suggest state governments received bribes for solar projects, driving up electricity costs.

অভিযোগের পরিমাণে ৩০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। তিনি মোদির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন যে মোদি আদানীর সাথে জড়িত এবং এই দুইজনই সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে খেলা করেছেন। আদানির শাস্তি দাবি করে তিনি বলেন যে এদেরকে গ্রেফতার করা উচিত এবং তাদের কর্মকাণ্ডের জন্য বিচার হলে তারা উপযুক্ত শাস্তি পাবে। বর্ণালী দাবি করেছেন যে দেশের কেনাকাটার সময় সাধারণ মানুষ কীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেটা সবাইকে জানা উচিত। তিনি আরও মন্তব্য করেন যে আদালত যদি দুর্নীতির ঘটনা নিয়ে সঠিকভাবে কাজ না করে, তবে আদানী ও মোদির বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আদানীর বিরুদ্ধে একটি সতর্কতা জারি করেছে, যার কারণে তার বিরুদ্ধে নতুন করে অভিযোগ উঠেছে। এতে মোদির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং আদানীর ব্যবসায়িক সম্পর্ক নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বর্ণালী মুখার্জীর মন্তব্যে দুজনের মধ্যে গভীর সম্পর্কের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, যা ভারতীয় রাজনীতিতে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।
Adani’s "green" projects, including solar panel installations, are creating significant problems, Barnali said. She criticized the financial burden placed on citizens through LIC’s share purchases and the lack of transparency from regulatory bodies like SEBI. Highlighting a broader trust deficit, she noted that Adani’s presence alongside Modi has sparked public concern, damaging the market environment and negatively impacting citizens.

Chapter 4Barnali accused LIC of prioritizing Adani’s interests, selling shares at the expense of people’s healthcare and social needs. She questioned who would punish those manipulating citizens’ lives. Expressing dissatisfaction with the exposure of images linking Sudipta Sen and ministers, she called for Modi’s arrest for his alleged involvement. Barnali underscored the pressure on Adani and criticized Modi and his ministers for their roles in the corruption.

Rahul Gandhi recently echoed the demand for Adani’s arrest on Indian soil, emphasizing the need for legal action against political and administrative corruption. Barnali questioned the judiciary’s effectiveness and criticized the impunity enjoyed by those in power, demanding transparency and accountability in governance.

Addressing societal hypocrisy, Barnali criticized the selective scrutiny of civic volunteers versus the lack of action against Adani-related issues. She supported Rahul Gandhi’s call for a thorough investigation into Modi’s potential involvement. Expressing frustration over the current investigative process, she highlighted the disparity in how opposition leaders face consequences compared to those in power.

Barnali referenced a viral photo of Modi supporting Adani, which raised questions about impartial investigations. She called for a “Jail the Thieves” movement to mobilize public resistance against government misconduct. She emphasized the need for transparency and accountability in both politics and administration.

Pinaki Bhattacharya lecture About Madrasa' Students. । মাদ্রাসা ছাত্রদের নিয়ে শেখ হাসিনার পরিকল্পনা

From CPI(M) headquarters in Palipur, demands for Modi, Amit Shah, Madhavi Buch, and the Finance Minister to resign were raised. Barnali argued that a unified opposition could have held Adani accountable, criticizing the government's inefficiency in addressing corruption. She shared her personal grievance about her mother’s healthcare being affected by Adani’s actions, highlighting the economic strain caused by falling stock prices.

Despite the Hindenburg report exposing Adani’s illegal activities, no significant action has been taken. She alleged that the government uses agencies like the ED and CBI for political motives. Barnali called for Modi’s resignation and decisive action against Adani.

Barnali emphasized that the government’s mismanagement is harming the economy and citizens’ livelihoods. She pointed out how Adani Group’s political backing puts undue pressure on national resources. She urged for unified protests and direct action against the government’s policies, advocating for a transparent and responsible administration.

Encouraging activists to use alternative media platforms, she called for increased public awareness and preparedness for mass movements against Adani. Her remarks reflected optimism for change and rallied citizens toward collective action.

---------------------------------



Adani: আদানীর সাথে মোদীকেও গ্রেফতারের দাবি তুললেন সমাজকর্মী বর্ণালী মূখার্জী #adani #bjp

সমাজকর্মী বর্ণালী মুখার্জী বলেছেন যে আদানি চোর সাব্যস্ত হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে অভিযোগের পরিমাণে ৩০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। তিনি মোদির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন যে মোদি আদানীর সাথে জড়িত এবং এই দুইজনই সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে খেলা করেছেন। আদানির শাস্তি দাবি করে তিনি বলেন যে এদেরকে গ্রেফতার করা উচিত এবং তাদের কর্মকাণ্ডের জন্য বিচার হলে তারা উপযুক্ত শাস্তি পাবে। বর্ণালী দাবি করেছেন যে দেশের কেনাকাটার সময় সাধারণ মানুষ কীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেটা সবাইকে জানা উচিত। তিনি আরও মন্তব্য করেন যে আদালত যদি দুর্নীতির ঘটনা নিয়ে সঠিকভাবে কাজ না করে, তবে আদানী ও মোদির বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আদানীর বিরুদ্ধে একটি সতর্কতা জারি করেছে, যার কারণে তার বিরুদ্ধে নতুন করে অভিযোগ উঠেছে। এতে মোদির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং আদানীর ব্যবসায়িক সম্পর্ক নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বর্ণালী মুখার্জীর মন্তব্যে দুজনের মধ্যে গভীর সম্পর্কের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, যা ভারতীয় রাজনীতিতে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।

Trump and Elon Musk Join Forces to Declare War Against the LGBTQ Community! The Reason Behind Musk’s Support! সমকামীদের বিরুদ্ধে একত্রে যুদ্ধ ঘোষণা করলেন ট্রাম্প ও ইলন মাস্ক ! এত সাপোর্ট যে জন্য করছেন মাস্ক

দেখা গেল যে আদানির বিরুদ্ধে যখন ট্রাম্প প্রশাসন এই ধরনের অভিযোগ তুলল, তখন মোদির দলের সদস্য সমবিদ পাত্র প্রেস কনফারেন্স করে জানান যে আদানির বিরুদ্ধে অভিযোগ শুধু গুজব। যদিও এ বিষয়ে দেশবাসীর কাছে তার বক্তব্যের কোন অর্থ খুঁজে পাওয়া যায়নি। বর্ণালী মুখার্জী মোদিকে প্রশ্ন করেছেন, আদানি এবং ট্রাম্পের মধ্যে ঝগড়া হলে তিনি কাকে বাঁচাবেন। আদানির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ এবং সম্ভাব্য শাস্তির বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন যে, দীর্ঘ ৩০ বছরের কারাদণ্ডের প্রক্রিয়া চলমান। আদানির কার্যক্রমের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া উল্লেখ করে বর্ণালী বলেন যে কেবল আমেরিকা নয়, অস্ট্রেলিয়া ও কেনিয়া সরকারও আদানির সঙ্গে বিভিন্ন প্রকল্প বাতিল করেছে। বাংলাদেশ সরকারও অভিযোগ করেছে যে আদানি অতিরিক্ত দামে বিদ্যুৎ বিক্রি করছে। এই পরিস্থিতিতে, মোদির উপর অভিযোগ তুলে বর্ণালী বলেন, কেন তিনি আদানিকে গ্রেপ্তার করছেন না এবং কবে পর্যন্ত এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি মনে করেন যে এলআইসির শেয়ারের মূল্য পতনের ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় প্রভাব পড়ছে, বিশেষ করে যাদের প্রতিদিনের দিনযাপন কঠিন হয়ে পড়ছে।

আমরা কিছু শেয়ার কিনি, শেয়ারের দাম বাড়লে বিক্রি করে রোজগার করার চেষ্টা করি, কিন্তু ঘুষের পরিমাণ ও আদানির কার্যক্রমের ব্যাপারে কিছু জানি না। বর্ণালী বলেন, অনেকেরই দায়িত্ব আছে কিন্তু তারা সত্যি কিছু জানাচ্ছে না। আদানির ২০০০০ কোটি টাকার ঘুষের কথা উঠছে, কিন্তু মোদি বা অন্যদের কাছে সঠিক তথ্য নেই। আনন্দবাজার পত্রিকা রিপোর্ট করছে যে রাজ্য সরকারগুলো সোলার প্রকল্পের জন্য ঘুষ পাচ্ছে এবং সেই কারণে বিদ্যুতের দাম বেড়ে যাচ্ছে। আদানির 'গ্রীন' প্রকল্পের আওতায় সোলার প্যানেল বসানোর জন্য যেসব অর্থ খরচ হচ্ছে, তা সত্যিকারের সমস্যা তৈরি করছে। স্থানীয় জনগণের হয়ে বর্ণালী সামনে আসছেন, তিনি মনে করেন যে সাধারণ মানুষের ক্ষতি হচ্ছে। এলআইসি’র শেয়ার কেনার মধ্য দিয়ে তাদের উপর চাপ সৃষ্টি হচ্ছে, এবং শেয়ারের দামের স্থিতিশীলতা প্রশ্নবিদ্ধ। চন্দ্রচুর ঐ সময় জানতেন যে সেবি ঘুষের বিষয়ে কিছু জানাচ্ছে না এবং কেন তিনি সেখানে মামলা করেননি, সেটাও প্রশ্নের মুখে পড়েছে। মাধবীভুজের নীরবতা ও মোদির পাশে আদানির উপস্থিতি সাধারণ মানুষের জন্য উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। এতে সংস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা কমছে এবং সাধারণ মানুষ ভাবছে, আদানির শেয়ারের দাম যদি কমে না যায়, তাহলে তাদের কি ক্ষতি হবে। এর ফলে বাজারের পরিবেশ ও সাধারণ মানুষের জন্য অত্যন্ত নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। 

ক্ষতিটা হবে সাধারণ মানুষের, কারণ তারা নিজেরাই বিভিন্ন শেয়ারে বিনিয়োগ করতে বাধ্য হচ্ছে। বর্ণালী মুখার্জী অভিযোগ করেছেন যে এলআইসি আদানীর জন্য কাজ করে আর তাদের শেয়ার বিক্রি করছে যা মানুষের চিকিৎসা এবং সামাজিক জীবনের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তিনি প্রশ্ন করেন, এই দেশদ্রোহী লোকগুলো, যারা মানুষের জীবন নিয়ে খেলায় ব্যস্ত, তাদের শাস্তি কে দেবে? সুদীপ্ত সেন ও বিভিন্ন মন্ত্রীর ছবি প্রকাশ হওয়া নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তিনি, এবং মোদির সংশ্লিষ্টতা উল্লেখ করে দাবি করেছেন যে তাকে কেন গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না। আদানির বিরুদ্ধে মানসিক চাপ বাড়াচ্ছেন তিনি, এবং মোদি ও তার মন্ত্রীরাও এই অপরাধের সঙ্গে যুক্ত। রাহুল গান্ধী সম্প্রতি দাবি করেছেন যে ভারতের মাটিতেই আদানীকে গ্রেপ্তার করা উচিত এবং মাধবী মুখার্জীকে ধরারও প্রয়োজন। রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক স্তরে যারা দুর্নীতি করছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। গ্রেপ্তারের দাবির সাথে সাথে বর্ণালী এই বিষয়টিও স্পষ্ট করেছেন যে বিচার ব্যবস্থা কতটা কার্যকর এবং কিভাবে ক্ষমতাসীনরা ঘুষের অভিযোগ থেকে মুক্ত হচ্ছে। আদালত কি এই পরিস্থিতিতে নীরব থাকবে, এই প্রশ্নরা আওয়াজ তুলছে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে।

Bangladesh Turns to Pakistani Onions and Sugar, Boycotting Indian Imports । ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি বয়কট করে এবার পাকিস্তানি পেঁয়াজ ও চিনিতে ভরছে বাংলাদেশ

পারবো আমরা পারবো না সিভিক ভলেন্টিয়ার, এই প্রশ্ন তুলে বর্ণালী মুখার্জী সমাজের দ্বিচারিতার প্রতি অভিযোগ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, যখন corrupt সিভিক ভলেন্টিয়ারদের কথা আসে, তখন সমালোচনা হয় সেই কাজটার ওপর, কিন্তু আদানী সংক্রান্ত সমস্যা হলে প্রধানমন্ত্রীর কিংবা মন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয় না। তিনি রাহুল গান্ধীর মন্তব্য তুলে ধরে বলেন, সঠিক তদন্ত হলে এর পেছনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নামও আসবে। বর্তমান তদন্তের প্রক্রিয়া সম্পর্কেও তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। পার্থ চ্যাটার্জি ও অরবিন্দ কেজরিওয়ালের মামলা নিয়ে আলোচনা করে বলেন, তদন্তের আগে কেন গ্রেপ্তার করা হয় না এবং বিরোধী নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ লাভজনক হলেও বাস্তবে শাস্তি হয় না। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ছবির কথা উল্লেখ করেন, যেখানে নরেন্দ্র মোদি আদানীর পক্ষে দাঁড়িয়ে আছেন, যা সৎ অনুসন্ধানের ওপর প্রশ্ন তোলার সুযোগ তৈরি করে। তিনি দাবি করেন, 'জেল কি চোর ধরো, জেল ভরো' আন্দোলন যেমন চলছে, তেমনই আদানীর ঘটনায় সরকার কর্তৃক অসাধু আচরণের বিরুদ্ধে জনমানসে প্রতিবাদ করতে হবে। বর্ণালী সমাজের বিভিন্ন স্তরের অসঙ্গতি ও সরকারের দ্বিমুখি নীতির বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলে বলেছেন, রাজনীতি ও প্রশাসনকে স্বচ্ছ ও দায়িত্বশীল হতে হবে।

ঘটনাটা ঘটলো আজও পর্যন্ত শুনেছো সিপিআইএম এর পলিরপুর থেকে এই বিবৃতি এসেছে যে মোদি পদত্যাগ করো, অমিত শাহ পদত্যাগ করো, মাধবী বুজকে সরাও, ফিনান্স মিনিস্টার পদত্যাগ করো। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন কেন এই অবস্থায় সরকারের পদত্যাগের কথা বলা হচ্ছে না। বর্ণালী আরও বলেন, মিডিয়া এবং ইডি সিবিআই পাওয়ার কেন্দ্রে থাকায়, সমস্ত বিরোধী দলগুলো যদি ঐক্যবদ্ধ হতো, তাহলে আজ আদানির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হতো। তিনি ব্যক্তিগত ব্যথা প্রকাশ করে জানান, আদানি কর্মসূচির কারণে তার মায়ের চিকিৎসা ব্যাহত হচ্ছে এবং তিনি যার উপর ভরসা করেছিলেন সেসব শেয়ারের দাম কমে যাওয়ায় উদ্বিগ্ন। আদানির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, গত তিন বছর ধরে আদানির অবৈধ কার্যকলাপ অব্যাহত রয়েছে এবং হিন্ডেনবার্গ রিপোর্ট প্রকাশের পরেও কার্যত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এদিকে, তিনি অভিযোগ করেন, সরকার ইডি এবং সিবিআইকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করছে। বিরোধী নেতাদের গ্রেপ্তার করানোর জন্য মোদির নির্দেশ বিভক্ত হতে দেখা যায়। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই অবস্থায় নরেন্দ্র মোদির পদত্যাগ ও ফিনান্স মিনিস্টারের পদত্যাগ চাওয়া হচ্ছে; সেইসাথে আদানির বিরুদ্ধে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

করতে হবে এবং ওই মাধবী বুচকেও গ্রেপতার করতে হবে। বর্ণালী যে শুধু মোদি এবং আদানির বিরুদ্ধে নয়, বরং সরকারের পুরো কার্যকলাপের যে অব্যবস্থাপনার ওপর জোর দিচ্ছেন, তাও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতি ধ্বংসের পথে হাঁটছে এবং সরকারের বর্তমান পদক্ষেপগুলি জনগণের স্বার্থের পরিপন্থী। তিনি আরও উল্লেখ করেন, যদি এই অবস্থা চলতে থাকে, তাহলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা আরো কঠিন হয়ে উঠবে। এছাড়া, বর্ণালী সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে আদানি গ্রুপের প্রভাবের কথা উল্লেখ করেন। তিনি দাবি করেন, রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়ে আদানি গ্রুপের প্রবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের সম্পদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। প্রতিবাদকারীরা একত্রিত হয়ে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের আহ্বান জানান এবং সরকারের বিরুদ্ধে সরাসরি ব্যবস্থা নেয়ার জন্য শাসকদলের প্রতি আহ্বান জানান। মোবাইল ফোনে বিকল্প সংবাদ মাধ্যম হিসাবে প্রতিবাদের প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার জন্য তিনি কর্মীদের উৎসাহিত করেন, যাতে জনগণের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো যায় এবং আদানির বিরুদ্ধে গণআন্দোলনের জন্য প্রস্তুতি নিতে পারে। তার বক্তব্যে জনগণের মধ্যে পরিবর্তনের আশাবাদ উজ্জ্বল হয়।"

Comments